নিভৃতির প্রতি শ্রদ্ধা, বিচারপতি নাসিম ও রাজাকার সাইদী।

ধরাযাক দুজন মানুষ একটা ঘরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে জানালায় ভারী পর্দা টেনে দিয়েছেন। এ অবস্থায় তাদের নিভৃতির (privacy) সীমা কতটুকু? আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে অসীম পর্যন্ত, মানে ঐ দুজনের বাইরে আমাদের আর কারো কোন অধিকারই নেই তাদের ব্যক্তিগত আলাপচারিতা বা কর্মকান্ডে নাক গলাবার বা এমনকি মনে বিন্দুমাত্র কোন রূপ ভাবনার স্থান দেয়ার। গভীর বিশ্লেষণে বিষয়টি সেরকম নাও হতে পারে। আমরা এখানে একে একে বিভিন্ন সম্ভাব্য পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করব।

প্রথমে আমরা বিবেচনা করি ঐ দুজন মানুষ বদ্ধ ঘরে তাস বা লুডু খেলছেন বা অন্য যেকোন রূপ নির্দোষ অাড্ডা মারছেন। এ অবস্থায় তাদের নিভৃতির প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল হওয়া দরকার? সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি অনুযায়ী এখানে নিভৃতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখালেও কিছু এসে যায় না, আবার না দেখালেও কিছু এসে যায় না। কাজেই আপনি চাইলে আগ্রহ দেখাতে পারেন, আর তারপর ঐ দুজন ব্যক্তি তা পছন্দ করছেন না বলে জানালে আপনার আগ্রহ প্রত্যাহার করে নিবেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুজন যদি কোন সংবেদনশীল কাজ করছেন যেমন ‘পরীক্ষার খাতা দেখছেন’ বলে জানান, তাহলে তো অবশ্যই আপনার আগ্রহ প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

এরপরের সম্ভাবনা হিসাবে ধরাযাক ঐ দুজন মানুষ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন। এখন প্রশ্ন হল এই সম্পর্ক সমাজে বিদ্যমান নীতিবোধ ও রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনে বৈধ কিনা। সামাজিক ও ব্যক্তিগত নীতিবোধ সমাজে সমাজে আলাদা, আর প্রচলিত আইনও রাষ্ট্রভেদে আলাদা। আমরা আলোচনার সুবিধার্থে যে কোন নির্দিষ্ট একটা দেশ বা সমাজ বিবেচনা করতে পারি। ঐ নির্দিষ্ট সমাজ বা রাষ্ট্রে বিদ্যমান ঐ নীতিবোধ বা আইন পরিবর্তন করা উচিৎ কিনা সেটা ভিন্ন বিতর্ক, আমরা শুধু বিদ্যমান নীতিবোধ ও অাইনের কথা ভেবে আলোচনা চালিয়ে যাব। এখন ঐ দুজন ব্যক্তির ঐ রূপ সম্পর্ক যদি পারিপার্শ্বিক, সামাজিক, নৈতিক, ডাক্তারী, বা অাইনের চোখে বয়স বা লিঙ্গের কারণে গ্রহনযোগ্য না হয় তাহলে নিভৃতির বিষয়টির কী হবে? আশাকরি অধিকাংশ পাঠক একমত হবেন যে এই নিভৃতিকে শ্রদ্ধা দেখানোর কিছু নেই। যে কেউ ঐ সম্পর্ককে আলোয় নিয়ে এসে প্রশ্নের মুখোমুখি করতে পারে। অবৈধ কিছুর নিভৃতির প্রতি শ্রদ্ধা বলে কিছু নেই।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বদ্ধ ঘরের দুজন ব্যক্তি যদি বৈধ প্রাপ্তবয়স্ক স্বামী-স্ত্রী হোন, তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের কিছু বলার নেই। তারা স্বামী-স্ত্রী ও তারা একে অপরের ঘনিষ্ঠ সাহচর্যে আছেন এরূপ যেকোন ইংগিত পাওয়া মাত্র আপনার মনের সমস্ত উৎসাহের লাগাম টেনে ধরতে হবে। এটা তাদের নিভৃতির অধিকার যা অামাদের জন্য শ্রদ্ধা করা জরুরী। তবে এই তথ্য বা ইংগিত পাওয়ার আগে আপনার তথ্যটুকু পাওয়ার যে চেষ্টা বা অাগ্রহ ছিল (যেমন কাউকে জিজ্ঞাসা করা বা পারিপার্শ্বিকতা অনুধাবনের চেষ্টা করা) সেটা তেমন দোষের নয় যদিও এটাও তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সামান্য হলেও অসম্মান করে। এটা তেমন দোষের নয় এ কারনে যে এটা “ডিম আগে না মুরগী আগে” সেই সমস্যা যার কোন সমাধান নেই। তাই ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে শ্রদ্ধা দেখানো সম্পর্কে নিশ্চিত হতে গেলে আপনাকে কিঞ্চিত অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করেই সেটা জানতে হবে। আরেকটা বিষয় খেয়াল করুন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কী রকমের সম্পর্ক হতে পারে সেটা কিন্তু পুরো জগতই জানে, সেই বিষয়ে কোন গোপনীয়তা নাই।

এরপরের সম্ভাবনা হিসাবে ধরাযাক ঐ দুই ব্যক্তিবর্গ কোন খুনের ষড়যন্ত্র করছেন অথবা কোন মারাত্নক অপরাধের যোগাড় যন্ত্র বা চেষ্টা করছেন। আপনি হয়তো একমত হবেন যে এই ক্ষেত্রেও তাদের কোন রূপ আচরণ থেকে যদি ওই সব বেঅাইনী ও নীতিবহির্ভুত কোন কিছুর ইংগিত পাওয়া যায় তবে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে শ্রদ্ধা দেখানোর কিছু নেই, এমনকি তারা স্বামী-স্ত্রী এটা জানার পরেও। স্বামী-স্ত্রী মিলেও কোন খুনের পরিকল্পনা করতে পারে। আবার দুশ্চরিত্রের দুজন লোক (যেমন দুজন ডাকাত ও খুনী) যদি একত্র হয়ে লুডুও খেলে সেখানে আপনি নাক গলাতে পারেন। কারণ দুষ্টলোকেরা এই রকম বিভিন্ন ঘরোয়া খেলার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে থাকে। তাহলে এখানেও দেখা যাচ্ছে আপনাকে একটা পর্যায় পর্যন্ত আগ্রহ দেখাতে হবে তথ্য পাওয়ার ব্যাপারে, আপনি যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তাদের কর্মকান্ড উভয় সম্পর্কে মোটামুটি নিশ্চিত যে তারা অগ্রহণযোগ্য কিছু করছেন না, এরপরেই কেবল তাদের ও তাদের কর্মকান্ডের নিভৃতির ব্যাপারে আপনাকে শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

এবারে আসি বদ্ধ ঘরের বাইরে, দুরালাপনি ও আন্তর্জালের জগতে। তবে তার আগে কিছু তুলনামুলক আচরণ সম্পর্কে আলোচনা। আপনি যখন কোন ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন তখন আপনার নিজস্ব গোপন তথ্য আসলে আরেক জনের কাছে বলে দিচ্ছেন। সেই ডাক্তার গোপনীয়তার শপথ নিলেও সেটা যে তিনি সর্বাবস্থায় রক্ষা করতে সমর্থ হবেন এটা ধরে নেয়ার উপায় নেই। তিনি রাষ্ট্রের অাইনের দ্বারা বাধ্য হতে পারেন। এমনকি আপনার কোন রোগ দেশের বৃহত্তর সমাজের জন্য ক্ষতিকর হলে ডাক্তার হয়তো অন্য কোন বিচার বোধ থেকেও আপনার গোপনীয়তা লঙ্ঘন করতে পারেন। আপনি যখন কোন বাস বা বিমানে উঠছেন তখন সকল রকম নিরাপত্তার নিশ্চয়তা সত্ত্বেও এটা মেনেই নিচ্ছেন যে খুব কম পরিমানে হলেও আপনার জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকি সেখানে রয়েছে। যা বলতে চাচ্ছি তা হল যে কোন ব্যবস্থায়ই এরকম কিছু অন্তর্নিহিত ঝুঁকি থাকে যেটা ঐ ব্যবস্থা গ্রহনের সাথে সাথে অবধারিত হিসাবে আমাদের মেনে নিতে হয়। পরম গোপনীয়তা বলে কিছু বাস্তবে তাই সম্ভব নয়। দুরালাপনি বা আন্তর্জালের জগতে মাঝখানের বিভিন্ন হাব, রাউটার, সার্ভার, দুপ্রান্ত ইত্যাদি স্থানে তথ্য আর গোপন না থাকার নানান ঝুঁকি আমরা একরকম মেনেই নিচ্ছি। এখন দুজন ব্যক্তির মধ্যে বদ্ধ ঘরের ক্ষেত্রের যে আক্ষরিক গোপনীয়তা দুরালাপনি ও আন্তর্জালের জগতে সেটি কোন ভাবেই থাকছে না। অবধারিত ভাবে এটা বেশ উন্মুক্ত। আপনি আপনার তথ্য নানারূপ কৌশল করে দুর্বোধ্য সংকেতে পরিণত করতে পারেন, কিন্তু সেই দুর্বোধ্য সংকেতও অন্যের হাতে যাওয়ার ও তার বুঝে ফেলার সম্ভাবনা থাকছে।

উপরের অালোচনা থেকে আমরা দেখলাম যে দুজন ব্যক্তির মধ্যে কী ঘটছে এটা সম্পর্কে আমাদের প্রাথমিক আগ্রহ থাকা খুব বেশী দোষের নয়। আর এই প্রাথমিক আগ্রহ মিটানোর পরে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা তাদের নিভৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হব কি হব না। শ্রদ্ধাশীল হওয়া মানে যা জেনেছি তা গোপন রাখব এবং অধিকতর কিছু জানা থেকেও বিরত থাকব। যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাহচর্য ও তাদের কর্মকান্ড বৈধ (সামাজিক নীতিগত ও আইনগত ভাবে) হিসাবে আমরা জানব তখনই কেবল আমরা শ্রদ্ধাশীল হব আর অবৈধ জানলে শ্রদ্ধাশীল হব না। এখন বদ্ধ ঘরের ক্ষেত্রে ঐ তথ্যটুকু জানার জন্য ক্ষেত্রবিশেষে কিঞ্চিত অাড়িপাতার বিষয়ও জড়িত থাকতে পারে, অবশ্যই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাধারণ কোন বৈধ ও অসন্দেহজনক দম্পতির ঘরে আঁড়িপাতার কথা আমরা এখানে আলোচনা করছি না! দুরালাপনি ও আন্তর্জালের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বা যে কোন তদারকী সংস্থা বৈধতা নিশ্চিতকরণের জন্য অাড়ি পাততে পারে, আর এটা দুরালাপনি ও আন্তর্জালের অন্তর্নিহিত বিষয়ের কারণেই সহজও। তবে বৈধতার বিষয়টি নুন্যতম আড়িপাতার মাধ্যমে জানা হয়ে গেলে শ্রদ্ধা দেখানোর খাতিরে আর অাড়িপাতা চালিয়ে যাওয়া উচিৎ নয়। আমরা কি এখানে অাড়িপাতার পক্ষে বলছি? হ্যাঁ কিঞ্চিত পক্ষে বলছি প্রাথমিক অনুসন্ধিৎসা মিটানো পর্যন্ত পক্ষে বলছি। এরপরে বৈধ বলে জানার পরে সেটি আরো চালিয়ে যাওয়ার বিপক্ষে বলছি। আপনি এখানে যুক্তি দিতে পারেন এইরূপ অাড়িপাতার সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হওয়ার চেয়ে অপব্যবহারই বেশী হতে পারে। আমরা সেটা খানিকটা মেনে নিচ্ছি, হতে পারে, তবে সেরূপ অপব্যবহার হলে সেটি অবশ্যই একটা ফৌজদারী অপরাধ হবে যা আইনের অাওতায় শাস্তিযোগ্য।

এই লেখাটি লিখেছিলাম বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের বিচারক নাসিমের স্কাইপে আলাপ ফাঁস হওয়া বিষয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে। প্রায় কাছাকাছি সময়ে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামী সাইদীরও একটি দুরালাপনির আলাপ ফাঁস হয়েছিল। এইসব ফাঁস হওয়া কোনটা কতটুকু গ্রহণযোগ্য সেটা সেসময় আলোচিত হচ্ছিল।

প্রথমে আসি বিচারপতি নাসিমের স্কাইপের কথোপকথন বিষয়ে। যতদুর জেনেছি সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুন্যালের নিয়মে রয়েছে যে বিচারকরা চাইলে কারো পরামর্শ নিতে পারবেন। তবে বিচারপতি নাসিম যে ঐ সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে থেকেই পরামর্শ নিবেন এটা ট্রাইবুন্যালে আগে স্পষ্ট করেছেন বলে আমার জানা নেই। সাহায্য নেয়ার নিয়ম থাকলেও ঐ ব্যক্তির কাছে থেকেই সাহায্য নিবেন এটা লিখিত ভাবে পরিস্কার করা দরকার ছিল, বা ট্রাইবুন্যালের এখনও এই রূপ কিছু থাকলে স্পষ্ট করা উচিৎ, সেক্ষেত্রে এগুলো ব্যক্তিগত কথোপকথন না হয়ে দাপ্তরিক বিষয় হতো, গোপনীয়তার বিষয়টি আরো জোরদার হতো। তবে একথা বলা যায় যে এখানে এখন পর্যন্ত পরিস্কারভাবে অবৈধ কিছুর নজির দেখা যায় না, যা হোক অাদালত এ বিষয়ে অাইন পর্যালোচনা করে পুঙ্খনাপুঙ্খ সিদ্ধান্ত দিবেন। তবে আমাদের মত হচ্ছে যেহেতু “হয় এই বিষয়টি অবৈধ নয় অথবা অস্পষ্টতা রয়েছে অার এটি বিচারাদালতেরই স্পর্শকাতর বিষয় এবং জাতীয় বিষয়” তাই যে সব ব্যক্তিবর্গ উক্ত বিচারক মহোদয়ের কথোপকথনে অাড়ি পেতেছেন, তাদের এটার নিভৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া দরকার ছিল, অন্তত প্রাথমিক ভাবে হলেও। তারা উক্ত কথোপকথনের বৈধতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অাদালতে বিষয়টি জানাতে পারতেন, কেবল সেটাই তাদের জন্য গ্রহনযোগ্য হত। অামরা জানি অাদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এখানে গোপনীয়তা বজায় রাখার অাদেশ দিয়েছেন। বিচারকের কথোপকথন প্রকাশ করে তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিশ্চিত ভাবেই অপরাধ করেছেন বলে মনে হয়, অার তারা নিজেরাও পরিস্কার অবৈধতার কথা তুলে ধরতে পারেননি।

এবার আসি আল্লামা সাইদীর ফোনে রসালাপের বিষয়ে। ফোনালাপ সত্যি সত্যি সাইদীর কিনা সেটা নিরূপন এই পোস্টের বিষয়বস্তু নয়, কারণ সেটা অনেক কারিগরী পরীক্ষার বিষয় আর আমি ব্যক্তিগতভাবে সে বিষয়ে পারদর্শী নই। অামরা ফোনালাপ সাইদীর ধরে নিয়ে অালোচনা করি। সাইদীর স্ত্রীর সাথে তার যে কথোপকথন সেটি আমার বিবেচনায় নিভৃতির শ্রদ্ধা পেতে পারত, এটা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যের কথা বুঝতে পারা মাত্রই অাড়িপাতা বন্ধ করা উচিৎ ছিল, আর এটা প্রকাশ করাও ঠিক হয় নাই। এই দাম্পত্য কলহের গোপনীয়তা ভঙ্গ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জনৈক অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক বা মক্কা থেকে ফোন করা জনৈক ব্যক্তির কথোপকথন গুলো নিভৃতির শ্রদ্ধা পেলেও ক্ষতি নেই, না পেলেও ক্ষতি নেই বলে মনে হয়েছে। আর অন্য দুজন মহিলার সাথে যে রূপ কথোপকথন এগুলো আমাদের দেশের সামাজিক, নৈতিক ও খুব সম্ভবত অাইনী বিচারেও অবৈধ। তাছাড়া সাইদী একজন পাবলিক ফিগার হিসাবে যেভাবে অন্যদের প্রভাবিত করে থাকেন, তাতে তার অবৈধ কাজকে তুলে ধরা জরুরীও। এ ছাড়া রাজাকারের অভিযোগ থাকার কারণে অসৎচরিত্রের লোক হিসাবেও তাঁর উপর নুন্যতম প্রাথমিক অাঁড়িপাতা সমর্থন যোগ্যই হওয়ার কথা। অার প্রাথমিক অাঁড়িপাতায় অবৈধ কিছু পাওয়া গেলে অাঁড়িপাতা চালিয়ে যাওয়া ও তার প্রকাশ সমর্থন যোগ্য। কাজেই এই বিষয়ে যে বা যারা অাঁড়ি পেতেছেন তাদের আমি কোন দোষ দেখি না। যেকোন অবৈধ বিষয় আলোতে আনা অবৈধ নয়, বরং প্রশংসার যোগ্য। কথোপকথনগুলো যদি সাইদীর হয়ে থাকে এটি পরিস্কার তিনি অবৈধ কিছু করেছেন। আর কথোপকথন যদি সাইদীর না হয়ে থাকে তাহলে সে তো পুরোই অন্য কিছু, পুরো দোষ যাবে যারা এই ফোনালাপ জালিয়াতি করেছেন তাদের উপরে।

মন্তব্য

টি মন্তব্য

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *